আম্মুর ভোদায় আমার ধোন
স্কুলে সারাক্ষন আম্মুর কথা ভাবলাম। দুপুরে বাসায় এসে খাওয়া দাওয়া করে একটু বিশ্রাম নিতে বিছানায় শুয়ে শুয়ে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি জানি না। আম্মুর ডাকে ঘুম ভাংল। কি রে এতো ঘুমাচ্ছিস কেন? শরীর খারাপ করে নি তো ? বলে আম্মু আমার মাথায় বুকে হাত দিয়ে দেখলেন। আমি বললাম- না আমার কিছু হয়নি। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে তোমাকে স্বপ্ন দেখছিলাম। আম্মুকে এখন আর ভয় করছে না। আম্মু হেসে বললেন-আমাকে তো বাস্তবেই দেখছিস, আবার স্বপ্নে দেখতে হবে কেন? তোমাকে খুব ভাললাগে আম্মু। তুমি খুব ভাল।
আমার চিন্তা আজ আম্মু আমার একটা ব্যবস্থা করবে। কি আর করবে ? হয়তো নিজেই আমার কাছে আসবে। এটা ভেবে আমার নুনু তখই খাড়া হয়ে যাচ্ছে। আম্মু আমার মাথায় একটা চাটি মেরে হেসে বললেন-আমাকে পটাচ্ছিস না ? ঠিক আছে আজ রাতে একজনকে পাবি। তবে খুব সাবধানে ধীরে ধীরে করবি। বলেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। আমি ভেবে পাচ্ছিলাম না কাকে পাব?
রাতে খাওয়া দাওয়ার পর আমি আর আপা জার জার খাটে শুয়ে পড়লাম। হঠাৎ দেখি আমার আর আপার খাটের মাঝে যে জায়গাটা ছিল সেখানে খালা এসে বিছানা পারল। খালা মানে আমাদের কাজের বুয়া। ছোট বেলায় বিয়ে হয়েছিল। মাত্র ২ বছর ঘর করেছে। স্বামী যৌতুকের জন্য খুব অত্যাচার করতো। তাই স্বামীর বাড়ী থেকে চলে এসেছে। ছেলে পুলে হয় নাই। বাবা ওনাকে আমার কাজের জন্য নিয়ে এসেছেন। মাকে উনি আপা বলে ডাকে। আমরা খালা বলে ডাকি। তবে কেউ দেখে বলতে পারবে না যে উনি আমাদের বাসার কাজের লোক। মা খুব ভাল ভাল কাপড় চুপড় পরতে দেন আর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকাতে এখন বেশ সুন্দর হয়েছেন। আপা জানে কিনা জানি না। তবে আমি বুঝতে পারলাম ওনাকেই আম্মু পাঠিয়েছেন।
আমি ডিম লাইটের আলোয় দেখতে পেলাম খালা আমার দিকে পাছাটা দিয়ে পা’দুটো বুকের কাছে নিয়ে গুটি সুটি ধরে শুয়ে আছে। আমি কিছুণ অপো করে আস্তে আস্তে খাট থেকে নেমে খালার কাছে গিয়ে বুঝতে চেষ্টা করলাম খালা জেগে না ঘুমিয়ে পড়েছে। বুঝতে পারলাম না। আস্তে কোরে কামিজটা পাছার উপরে তুললাম। সালোয়ার পড়া। এখন কি ভাবে কি করবো ভাবছিলাম। হঠাৎ খালা ঘুরে চিৎ হয়ে শুলা। আমি আস্তে কোরে সালোয়ারের ফিতেটা খুলে দিলাম আর ধীরে ধূরে নিচের দিকে নামিয়ে আনলাম। ডিম লাইটের আলোতে খালার লোম ভরা ভোদাটা দেখতে পেলাম। তারপর মাজাটা ধরে ঘুরাতে চেষ্টা করলাম। খালা চোখ বুজে আছে। দেখলাম সে ঘুরে আগের মত পাছাটা বের করে পা দুটো বুকের দিকে এগিয়ে পাছা বেশ ফাক করে শুলো। এদিকে আমার নুনু গরম হয়ে টাটাচ্ছিল। টেবিল থেকে লোসানের টিউবটি এনে খুব ধীরে ধীরে খালার পাছায় লাগিয়ে একটি আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলাম। খালা একটু নড়ে উঠলো। আমার আর তর সইছিল না। আমি খালার পাশে শুয়ে আমার টাটানো নুনুটি খালার পাছার ফুটোয় সেট করে আস্তে করে চাপ দিলাম। কিন্তু ঢুকলো না। কয়েকবার চেষ্টা করলাম। অবশ্য এ বিষয়ে আমার পূর্বের অনেক অভিজ্ঞতা আছে। তাই পরের বারে মাথাটা ঢুকিয়ে আস্তে করে চাপ দিয়ে দিয়ে পুরোটাই ঢুকিয়ে দিয়ে একটু রেষ্ট নিলাম। খালা ঘুমের ভান করে পড়ে আছে। আমি কিছুটা বের করে আবার ঢুকালাম। এমনি করে কিছুণ করার পর দেখলাম খালাও বেশ মজা পাচ্ছে। আমি খালার মাজা ধরে ইচ্ছেমত নাড়াচাড়া করে মাল আউট করলাম। তারপর বিছানায় গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।
পরদিন সকালে উঠে দেখি খালা আপা কেউ নেই। বাথরুম সেরে পাকঘরে গিয়ে দেখলাম আম্মু আর খালা নাস্তা বানাচ্ছে। খালার গলা শুনতে পেলাম- আপা আমার পাছা খুব ব্যাথা করছে। আম্মু বলল-তোকে অসুধ দিয়ে যাব ওটা খেলে ব্যাথা সেরে যাবে। আমি আর পাকঘরে ঢুকলাম না। একটু পরে আম্মু নাস্তা নিয়ে খাবার টেবিলে এসে আমার পাশে দাড়িয়ে বললেন-কিরে রাতে ঘুম হয়েছে। আমি আম্মুকে জড়িয়ে ধরে ধরলাম। আমার মাথাটা আম্মুর তলপেটে চেপে আর দুহাত দিয়ে পাছাটা জড়িয়ে ধরে বললাম-হা হয়েছে। তুমি খুব ভাল। আম্মু হেসে বললেন-ঠিক আছে। কোন বন্ধুদের সাথে এ বিষয়ে কোন আলাপ করবিনা। আর কোন লোকের সাথেও মিশবি না। কোন সমস্যা হলে আমাকে বলবি। ঠিক আছে ? আমি মাথা নেড়ে সায় দিয়ে নাস্তা করে স্কুলে চলে গেলাম।
এভাবে কিছু দিন চললো। আপাও মাঝে মাঝে আমাদের খেলা দেখতো বলে আমার মনে হয়েছে। কিন্তু বুঝতে দিত না। এর মাঝে খালা বাড়ী চলে গেল। আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। ভাবলাম এবার মনে হয় আম্মুকে পাব। তাই আম্মুকে কিছু না বলে ঐ দিন ঘুমানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসছিলনা। আমার জিনিসটা রাগে খাড়া হয়ে ছিল। হঠাৎ মনে হলো কে যেন আমার ওটা ধরে আদর করছে। চোখ খুলে দেখে আপা। কিছু বলতে পারলাম না। আপাকে জড়িয়ে ধরে এই প্রথম আপার ঠোটে চুমু খেলাম। আপা কিছু বললো না। আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরলো। দু’জনে অনেকণ জড়াজড়ি করে কাপড় খুলে ফেলাম। তারপর আপুর দুধ চুষে দিলাম। কিন্তু ভোদাতে হাত দিলাম না। আপু বুঝতে পেরে আমার দিকে পাছাটি ঘুরিয়ে শুয়ে পড়লো। আমিও বুঝতে পেরে আপাকে করলাম। ২/৩ দিন পর হঠাৎ একদিন রাতে দেখি মা আমার বিছানায় বসে আমাকে আদর করছে। আমি আসলে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ গায়ে হাতের ছোয়া পেয়ে জেগে দেখি আম্মু। আমার মন খুশিতে ভোরে গেল। আমার এতোদিনে স্বপ্ন সার্থক হবে ভেবে আম্মুকে জড়িয়ে ধরলাম। আম্মুও আমাকে জড়িয়ে ধরে অনেক আদর করলেন। তারপর আমার দিকে পিছন দিয়ে শুয়ে পড়লেন। আমি আস্তে করে মায়ের নাইটিটা তুলে পাছাটা দেখতে থাকলাম। এমন পাছা আমি কখনও দেখি নাই। যেমন ফরসা তেমনি নরম আর ভারী। পাছার ফাকে হাত দিয়ে কিছুন নাড়াচাড়া করে টিউব থেকে লোশান দিয়ে পাছাটা পিচ্ছল করে এই প্রথম একটি সুন্দর পাছায় আমার জিনিসটি ঢাকালাম। অনেকণ করার পর আউট করে আম্মুকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়লাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে আম্মুকে আর দেখতে পেলাম না।
ওর সব কথা মন দিয়ে শুনছিলাম। আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম-আচ্ছা তুমিতো বেশীর ভাগ মেয়েদের পাছায় কাম করেছো। কিন্তু মেয়ের সামনে কাম করতে ইচ্ছে করেনাই।
না আমি সামনে ভাল করে দেখি নাই। আমার নেসা পিছনে। ঠিক আছে এবার তুমি সামনে ভাল করে দেখবে। আর করবে। দেখবে তোমার খুব ভাল লাগবে। আর একটি কথা তোমাকে তো এইডস এর কথা বলেছি। পিছনে কাজ করলে এইডস হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এইডস এমন একটি রোগ মৃত্যু ছাড়া যার কোন প্রতিকার নেই। আর একটি কথা তুমি ধীরে ধীরে করা কমিয়ে দেবে। দেখবে এক সময় তোমার খারাপ লাগবে না। কতদিন তুমি এভাবে নেশার মত কাজ করবে।
ছেলেটি আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল-স্যার আপনাকে আমার খুব ভাল লেগেছে। আমি মাঝে মাঝে আপনার কাছে আসবো। আমি ওর মুখটা তুলে একটু আদর করে বলাম। অবশ্যই তুমি যখন ইচ্ছে হবে আমার কাছে আসবে। তবে কামের জন্য নয়। গল্প করার জন্য। কেমন ? ও হেসে আমার কথায় সায় দিল। ও মোবাইল বের করে ওর মা আর বোনের ছবি দেখাল। সত্যি বলতে কি ওর মা বোন কে দেখে আমার ধন খাড়া হওয়ার জোগার। সত্যি সুন্দর। ছেলেটিকে বিদায় দিয়ে ভাবতে থাকলাম। আমাদের সমাজটাতে কি হচ্ছে ?
লেখাটি সমাপ্ত করলাম। তবে আবার যদি ছেলেটি আসে এবং নতুন কিছু বলে তবে আপনাদো জানাব।.. -->
Thanks For You Reading The Post
We are very happy for you to come to our site. Our Website Domain name
https://banglasexstories4all.blogspot.com/.
Newer Posts
Newer Posts
Main Page
Comments